হজ্জ যাত্রার পূর্বে কিছু ভূল ত্রুটি ও বিদআত

প্রবন্ধটি পড়া হলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যিনি পরম করুনাময়, অসীম দয়ালু।

hajj zatrar porbe vol troti

হজ্জ যাত্রার পূর্বে কিছু ভূল ত্রুটি ও বিদআত

১। হজ্জ যাত্রার ঠিক পূর্ব মূহুর্তে ২ রাকাআত নফল সালাত আদায় করা এবং প্রথম ও দ্বীতিয় রাকাতে সূরা কাফিরুন ও সূরা ইখলাছ নির্দিষ্টভাবে তিলাওয়াতকে হজ্জের নিয়ম মনে করা। তবে যে কোন সময় সফরের পূর্বে ২ রাকাত নফল সালাত পড়া সুন্নাত।

২। রাসূল (ছাঃ) এর কবরের সামনে দাড়িয়ে কিছু চাওয়া, বেদআতি দরুদ পাঠ, ছবি তোলা, সালাম, এবং সেখানে কান্নাকাটি করে কিছু চাওয়া।

৩। হজ্জ যাত্রার পূর্বে নিকট আত্মীয় স্বজনের সামনে বিদায় মূহুর্তে কান্নাকাটি করা, মিলাদ দেওয়া।

৪। হজ্জ যাত্রার পূর্বে আযান দেওয়া, ইসলামী সঙ্গীত বাজানো।

৫। কতিপয় সূফীদের মতো, একমাত্র আল্লাহকে সাথী করে একাই হজ্জের জন্য রওনা হওয়া।

৬। মসজিদে নববীর কতিপয় খুটিকে ‘হান্না খুটি, আয়েশা খুটি” বলে জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করে তাকে অসীলা বানিয়ে কিছু চাওয়া।

৭। ৪০ ওয়াক্ত সালাত মসজিদে নববীতে আদায় করা।

৮। কোন কারন ছাড়া ফজর সালাত পড়ে মুজদালিফা ত্যাগ করা।

৯। কোন মহিলা হজ্জ যাত্রীর সাথে অপর কোন পুরুষ মাহরাম বানানোর চুক্তিব্ধ করা।

১০। অধিক বরকত মনে করে “জাবালে রহমত” এ অবস্থান নেওয়া, হুড়াহুড়ি করে সেখানে পৌছে সালাত আদায় করা।

১১। মহিলা হজ্জযাত্রী কোনো নিকট আত্মীয়কে ভাই হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাকে মাহরাম করা।

১২। নারীর ক্ষেত্রে কোনো একটি আস্থাভাজন মহিলা দলের সঙ্গে মাহরাম ছাড়াই হজ্জে যাওয়া এবং একইভাবে এমন কোনো পুরুষের সঙ্গে গমন করা যিনি পুরো মহিলা দলের মাহরাম হিসেবে নিজেকে দাবি করেন।

১৩। এমন কিছু মনে করা যে, হজ্জের পরিপূর্ণতা হল নিজ এলাকায় ইহরাম বাধা।

১৫। এমন কিছু মনে করা পায়ে হেটে হজ্জ করলে ৭০ হজ্জের সওয়াব আর আরোহনে হজ্জ করলে ৩০ হজ্জের সওয়াব।

১৬। প্রত্যেক যাত্রা বিরতিতে দুই রাকআত সালাত আদায় করা এবং এই বলে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা, “ হে আল্লাহ আমাদের এই যাত্রা বিরতির স্থানকে আমাদের জন্য আর্শিবাদপুষ্ট করে দাও, তুমি শ্রেষ্ঠ আশ্রয়দাতা।

১৭। আর একট ভুল হচ্ছে সূর্য ঢলার আগেই আইয়ামে তাশরীক্বে কংকর নিক্ষেপ করা।

১৮। কংকর নিক্ষেপের সময় অযথা মানুষকে কঃষ্ট দেওয়া বল প্রয়োগ করা।

১৯। কংকর এর পরিবর্তে জুতা, স্যান্ডেল ইত্যাদি নিক্ষেপ করা।

২০। আমার কুরবানী হলো কি হলো এমন ধারনা করে নবী করীম (ছাঃ) এর নামে কুরবানী করা।

২০। মাথা সম্পূর্ণ মুন্ডন করে মাথায় কিছু কিছু জায়গায় চুল ছোট করা।

২১। জাবালে রহমতের কিছু কিছু জায়গা থেকে পলিথিনের ব্যাগে মাটি সংগ্রহ করা ও তাতে সিজদা দিয়ে ছালাত আদায় করা।

২২। সূর্যাস্তের পূর্বে ৯ তারিখে আরাফা ত্যাগ করা।

২৩। মসজিদে নামিরা’তে এক আযানে ও দুই ইক্বামতে যোহর ও আছরের ছালাত আদায়কে সন্দেহ মনে করা ইত্যাদি।

আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক! মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের শ্বাশত বাণী ছড়িয়ে দিন। আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিভিন্ন লেখা ফেসবুক, টুইটার, ব্লগ ইত্যাদি ওয়েবসাইটে শেয়ার করুন এবং সকলকে জানার সুযোগ করে দিন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে -এ লাইক করুন

Check Also

বইঃ ফেরেশতারা যাদের জন্য দোয়া করেন

প্রবন্ধটি পড়া হলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যিনি পরম করুনাময়, ...

মন্তব্য করুন

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *